শিরোনাম

বস্তা, পলিথিন, পুরানো কাপড়ে কোনোমতে বাঁচার চেষ্টা অসহায় মানুষের



রাতের শীতে জবুথবু দশা রাজধানীর ছিন্নমূল মানুষের। গরম কাপড়ের অভাবে ঠান্ডা থেকে বাঁচতে পারছেন না তারা। ঠকঠক করে কাঁপছেন অনেকে। ফলে ঠিকমতো ঘুমও হচ্ছে না। ফুটপাতে থাকা মানুষেরা বলছেন, প্রয়োজন এখন সহায়তা।

ষ আসার আগেই রাজধানীসহ দেশজুড়ে জেঁকে বসেছে শীত। ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডা বাতাসে নগরজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় আছে খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষ। দিন কোনোভাবে কেটে গেলেও রাত কাটে অসহনীয় দুর্ভোগে।

রাত হলেই যখন সবাই লেপ-কম্বলে ওম খোঁজেন, তখন আরেক শ্রেণির মানুষের জীবনযুদ্ধটা চলে খোলা আকাশের নিচে রাস্তার পাশে। কারও প্লাস্টিকের বস্তা, কারও পলিথিন আবার কারও পুরানো কাপড় দিয়ে শরীরটা ঢেকে ঠান্ডা থেকে বাঁচার চেষ্টা। কিন্তু হিম বাতাস যে ভেদ করে যায় সামান্য আবরণ। খানিক পরপরই শীতে কেঁপে ওঠে পুরো দেহ।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ফুটপাতগুলোতে দেখা যায় এমন অসংখ্য মানুষ। তাদের কারোরই ঘর কিংবা থাকার জায়গা নেই। এমনই একজন দুলুপ মিয়া। যিনি হবিগঞ্জ থেকে দুবছর হলো কাজের সন্ধানে ঢাকায় এসেছেন। কিন্তু কাজ পাননি। সারাদিন ঘুরেফিরে রাস্তায়ই থাকেন। কেউ খাবার না দিলে অভুক্তই থাকতে হয় দুলুপ মিয়ার।

দুলুপ মিয়ার মতো এমন অনেক মানুষ রাজধানীর বিভিন্ন ফুটপাতে ঘুমিয়ে না ঘুমিয়ে রাত কাটাচ্ছেন। আগে শীত বস্ত্র পেলেও এখন তেমনটা পান না বলে হতাশা প্রকাশ করেন কেউ কেউ।

এদিকে কেউ কেউ কাজের ফাঁকে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। শীত থেকে বাঁচতে বিত্তবানদের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়ার আহ্বান ছিন্নমূল মা

কোন মন্তব্য নেই